How To Start With Forever Living Products Compay?



ভাবনাহীন ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্দেশ্যে ফরএভার লিভিং প্রোডাক্টস কোম্পানীর সাহায্য নিয়ে কি করে ব্যবসা শুরু করা যায়?

ব্যবসা শব্দটি আমাদের অতি প্রিয় একটি শব্দ। কারণ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবনের চাওয়া গুলোকে বাস্তবে পরিণত করতে পারি। তবে ব্যবসা করে সফল হতে গেলে অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে তবেই সে কাঙ্খিত সফলতার শিখরে পৌছানো যায়। ব্যবসা করে সফল হবার পথটি যেহেতু কাঁটা যুক্ত তাই সেখানে পৌছাতে গেলে কঠিন পরিশ্রমের পাশাপাশী প্রচন্ড মানসিক শক্তির প্রয়োজন হয়। আর এই মানসিক শক্তি আমরা পাই আমাদের স্বপ্ন এবং চাওয়া থেকে। খুব সহজ একটি প্রশ্ন নিয়ে ভাবলেই আপনি আপনার স্বপ্নগুলো দেখতে পাবেন। প্রশ্নটি হলো, যদি আপনাকে রোজগার করতে না হতো, তার মানে আপনার অঢেল সম্পদ থাকতো, তাহলে আপনি প্রথম কোন কাজটি করতেন? আপনার জবাব যাই হোক, যদি চোখ বন্ধ করে এক মূহূর্তের জন্য ভাবেন যে আপনার সে স্বপ্নটি সফল হয়েছে, তাহলে দেখবেন বুকের ভেতরটা একটা গভীর প্রশান্তিতে ভরে গ্যাছে। আর এই অবস্থায় পৌছানোর জন্যে আমরা হাজারো কঠিন বাধা কে অতিক্রম করতে পারি। যা হোক আপনি আপনার এই চাওয়াটির কথা মনে রেখে পড়তে থাকুন।


যে কোন ব্যবসা শুরু করার আগে কত গুলো জিনিষ আপনাকে পরিষ্কার করে জেনে নিতে হবে। যেমন সর্বপ্রথম আপনাকে জানতে হবে কেন আপনি এই ব্যবসা করার পরিশ্রম করবেন। সৌভাগ্যবশতঃ একটু আগেই আপনি সেটি জেনেছেন।


দ্বিতীয়:-

আপনাকে জানতে হবে আপনি কোন কোম্পানীর সাথে কাজ করবেন। এবার চলুন সে বিষয়ে সংক্ষেপে একটু কথা বলা যাক। ফরএভার লিভিং প্রডাক্টস কোম্পানী টি ১৯৭৮ সালে আমেরিকা এরিজোনা থেকে যাত্রা শুরু করে। এ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী গাছের রসকে মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহার করা দিয়ে শুরু করে আজ প্রায় ৩০০+ বিভিন্ন পণ্য তৈরী করে পৃথিবীর ১৬০+ টি দেশে সরবরাহ করে।


নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা ডাইরেক্ট সেলিং মার্কেটিং পদ্ধতির যথাযথ নৈতিক ব্যবহার কি করে সমাজের নিচু স্তরের মানুষের ভাগ্য বদলে নেবার সুযোগ করে দিতে পারে। এই কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা রেক্স মওন তা বুঝতে পেরে সেই পদ্ধতিতে পণ্যের বিপণন শুরু করেন এবং প্রায় ৪০ বছর পরেও সেই পদ্ধতিতেই কোম্পানী এগিয়ে চলেছে অবিচল ভাবে। এই কোম্পানীর কোন ঋণ নেই এবং এই কোম্পানীর রয়েছে ১৫০ কোটি ডলারের বেশী সম্পদ এবং নগদ অর্থ। তার মানে হলো যে এই কোম্পানীর দেউলিয়া হয়ে যাবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আরো মানে হলো যে আমরা যারা এই কোম্পানীর সাথে কাজ করি আমাদের পাওনা না মিটিয়ে এই কোম্পানী ভেগে যাবে সেটিও অসম্ভব। এই কোম্পানী ব্যক্তি মালিকানাধীন তাই কোন ব্যাংক বা শেয়ারহোল্ডার কাইকে জবাবদিহি করতে হয় না্। পণ্যের মান উন্নয়ন এবং নতুন পণ্য প্রস্তুত করার গবেষণার কাজে তাই কোম্পানী কারো কোন তোয়াক্কা না করে দেদারছে খরচ করে। সে কারনে আমরা উত্তরোত্তর ভালো পণ্য পাই। কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্যগণ সেই শুরু থেকে কোম্পানীর সাথে আছেন, তাই তারা জানেন কি করে মানুষের চাহিদা মেটাতে নতুন নতুন পণ্য তৈরী করে ব্যবসা আরো বড় করা যায়।



তৃতীয়:-

আপনাকে জানতে হবে যে, আপনি যে পণ্যগুলো নিয়ে কাজ করবেন তার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে কি না এবং ভবিষ্যতে এই চাহিদা বজায় থাকবে কি না। চলুন সে নিয়ে একটু কথা বলি। ফরএভার লিভিং প্রোডাক্ট কোম্পানী প্রাকৃতিক কাঁচামাল ব্যবহার করে নিত্যব্যবহার্য্য, স্বাস্থ্য বর্ধক এবং প্রসাধণ পণ্য তৈরী করে। যেমন:- সাবান,শ্যাম্পূ,লোশন,লিপস্টিক,ফেস পা্উডার,মুখে এবং গায়ে মাখার ক্রীম,হরেক রকমের ভিটামিন,মিনারেল,সাপ্লিমেন্ট ফুড ইত্যাদি। ্এই পণ্যগুলোর চাহিদা কোনদিন কমে যাওয়ার সম্ভনা আছে কিনা আপনি নিজেই ভেবে দেখুন। বাজারে অন্য সব কোম্পানীর তুলনায় আমাদের পণ্যগুলোর বেশী কাঙ্খিত কারন, আমাদের পণ্যে ক্ষতিকর কোন কেমিক্যাল বা রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় না। এমন কি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে গিয়ে প্রস্ততকরন খরচ বেশী হলেও কোম্পানী আপোষ করে না্। বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে বেহিসাবে হাজারো কেমিক্যাল ব্যবহার করে হাজারো রোগ-বালাই এর শিকার হয়ে আজ সারা পৃথিবীজুড়ে মানুষ কেমিক্যাল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ফলে আমাদের পণ্যের চাহিদা আরো বাড়ছে। আমাদের পণ্যগুলোর আরেকটি দিক হলো এই পণ্যগুলো ব্যবহার করার সাথে সাথে শেষ হয়ে যায়। সেকারণে একই কাস্টমার একই পণ্যের জন্য বার বার ফিরে আসেন, তার মানে চাহিদা দিনে দিনে বাড়তে থাকে।


চতুর্থ:-

আপনাকে পণ্যের গুণগত মান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এই বিষয়ে নিশ্চিত হবার সব থেকে কার্যকরী দিক হলো, পণ্য নিজে ব্যবহার করা। এছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানী যারা এজাতীয় পণ্যের গুণাগুণ বিচার করে সার্টিফিকেট দেয় তাদের সার্টিফিকেট থেকেও পণ্যের গুনগত মান সম্পর্কে নিশ্চিত্ন হওয়া যায় না। কিন্তু কোম্পানী যদি পণ্যের উপর সন্তষ্টির নিশ্চয়তা (গ্যারান্টি) দেয় তাহলে সেটা সব থেকে নির্ভরযোগ্য। ফরএভার লিভিং প্রোডাক্ট কোম্পানী আমাদের পণ্যের গুনগত মান নিয়ে এতটাই আত্মবিশ্বাসী যে, খুচরা ক্রেতাদের ৩০ দিনের টাকা ফেরৎ ভিত্তিক নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ যদি কেউ আপনার কাছ থেকে কোন পণ্য কিনে ব্যবহার করে, এবং ৩০ দিনের মধ্যে খালি বোতল অথবা প্যাকেট ফেরৎ দিয়ে যে কোন অসন্তষ্টি জ্ঞাপন করেন তাহলে তিনি পুরো টাকা ফেরৎ পাবেন। এক মিনিট একটু ভেবে দেখুন তো, যদি পণ্য ভালো না হতো তাহলে এই কোম্পানী ৪০ বছর ধরে টিকে থেকে এমন বিশ্বময় ছড়িয়ে পরতে পারতো না?



পঞ্চম:-
আপনাকে খুব ভালো করে বুঝতে হবে এই ব্যবসা পদ্ধতি আপনার কাম্য উপার্জনের পথ তৈরী করতে পারবে কিনা। এটি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কেননা এর মাধ্যমেই আপনি এমন উপার্জন এর পথ করতে পারবেন, যা আপনার স্বপ্নের জীবন যাপন করার পথ খুলে দিতে পারবে। যে ব্যবসা তেমন উপার্জন দেখতে পারবেন না তেমন ব্যবসার জণ্য খেটে সময় নষ্ট করার তো অর্থ নেই তাই না? স্বপ্নের জীবনের তালা খুলে দিতে পারে এমন উপার্জনের আশা আমাদের এই ব্যবসায় করা যায় কারন হলো যে ফরএভার লিভিং প্রোডাক্টস  কোম্পানী নৈতিকতার সাথে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ভিত্তিক বিপণন ব্যবস্থা করে। এই পদ্ধতিতে মার্কেটিং এর জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ না করে বরং যে সকল কাস্টমার কোন কোম্পানীর পণ্য ব্যবহার করে খুশি হয়েছে তাদের কে ব্যবহার করা হয়। যেমন একটি সিনেমা দেখে বা বই পড়ে ভালো লাগলে আমরা আমাদের বন্ধুদের স্বাভাবিক ভাবেই সেই সিনেমা বা বই সম্পর্কে উচ্ছাস নিয়ে বলি। এর ফলে অনেকেই হয়তো সেই সিনেমাটি দেখতে যান বা বই কিনে পড়েন। তার মানে আপনার কথার কারনে সিনেমা প্রযোজক বা বই বিক্রেতার ব্যবসা বাড়লো। কিন্তু তারা কি আপনাকে এই অধিক ব্যবসা থেকে যে লাভ হলো তার অংশ দেয়? নাহ্ দেয় না। কিন্তু ন্যায় সম্মত নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতিতে যে কোম্পানী ব্যবসা করে আপনার কথার কারনে তাদের ব্যবসা বাড়লো, সে বাড়তি ব্যবসায় যে লাভ হয় তার অংশ আপনাকে দেবে। খেয়াল করবেন যে আমি ন্যায় সম্মত শব্দটি ব্যবহার করছি। তার কারণ হলো এই পদ্ধতিকেই যদি অন্যায় ভাবে কোন কোম্পানী ব্যবহার করে তাহলে অনেক লোকের অনেক ক্ষতি করতে পারে। পিরামিড স্মি এর নাম অনেকেই আপনারা শুনেছেন যেখানে সরাসরি কোন পণ্য বিক্রয় না করে শুধু টাকার বিনিময়ে কারো টিম এ লোক রেজিস্টার করতে পারলেই যিনি টিম এর লিডার তিনি অনেক টাকা পান। সদ্য আমি ফেইসবুক এর মারফত দেখেছি যে বাংলাদেশে একটি চক্র এই কাজটি করছে। দেখবেন এই চক্রের সদস্যগন যারা শত শত বা হাজার হাজার টাকার মেম্বারশিপ ফী দিয়ে মেম্বার হয়েছেন, তারা শুধু একই ভাবে আপনাকে ফী দিয়ে মেম্বার হতে বলবেন বার বার। যেহেতু এইরকম স্কিম আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ সেকারনে তারা পেছনে একটি নাম কাওয়াস্তে পণ্য ভিত্তিক ব্যবসা রেখেছেন। আমি একজনকে দেখেছি যিনি এমন একটি চক্রের সদস্য যারা মেম্বার হলে তৈরী পোশাক বিক্রয় করার ব্যবসা গড়ে দেয়ার কথা বলে তাকে ফী দিতে উদবুদ্ধ করেছেন। কিন্তু তারপর পোশাক বিক্রির চেষ্টা করার পরিবর্তে ওনাকে শুধু নতুন নতুন সদস্য রেজিস্টার করতে বলছে তার উপরে যারা আছে তারা। এরাও নেটওয়ার্ক মার্কেটিং করছেন কিন্তু অন্যায় ভাবে লোক ঠকানোর জন্য।



ফরএভার লিভিং প্রোডাক্ট কোম্পানীতে সদস্যপদ পেতে কাউকে কোন ফ্রী প্রদান করতে হয় না। অর্থাৎ সদস্যপদ পাওয়া যায় বিনামূল্যে। এবং কে কতটা পণ্য ক্রয় করলেন তার উপর ভিত্তি করে তাকে উপযুক্ত মূল্যহ্রাস এর সুযোগ দেয়া হয়। যেমন যে কোন দোকানে গিয়ে আপনি যদি একটির পরিবর্তে পাঁচটি পণ্য কিনেন তাহলে দোকানদার যেমন আপনার কাছ থেকে দাম কিছু কম রাখে ফরএভার লিভিং প্রোডাক্ট কোম্পানীও ঠিক তাই করে। না, আসলে আরো বেশী করে। কেমন? আপনি একবার পাইকারী মূল্যে কোন স্তরএ উঠে গেলে সেখান থেকে আর কোনদিন নিচে নামার সম্ভবনা নেই। অথচ পদোন্নতি পেয়ে যদি আরো উঁচু কোন স্তরে আপনি ওঠেন তখন আপনার মূল্যহ্রাস মাত্রা আরো বেড়ে যাবে।



নিচের উদাহরন টি দেখুন:-

ডেবিট নামের একজন লোকের কতা ভাবুন।ডেবিট নতার ভবিষৎ গড়ার জন্য ফরএভার লিভিং প্রোডাক্টস কোম্পানীর সদস্য হবার ফর্ম পূরণ করে। প্রথমদিন আড়াই হাজার টাকার বিভিন্ন প্রোডাক্টস কিনলো। সাথে সাথে ডেবিট বাকি জীবনের জন্য এই কোম্পানীর মেম্বারশিপ পদ লাভ করলো, ফলে সে পণ্যগুলোর খুচরা মূল্যের উপর শতকরা ১৫% মূল্য ছাড় পেলো। সে এর থেকে কিছু পণ্য নিজে ব্যবহার করলো এবং বাকি পণ্য চেনাজানা কয়েক জনের কাছে বিক্রি করে ১৫% লাভ করলো। পণ্য ব্যবহার করে সে সকলকে এই পণ্য সম্পর্কে বলতে থাকলো। এতে অনেকেই তার কাছ থেকে এই পণ্য কিনতে চাইলো।ডেবিট সকলের অর্ডার গুলো নিয়ে পণ্যগুলো কিনে এনে দিলো এবং ১৫% লাভ রাখলো নিজের জন্যে। বাকি জীবনডেবিট যদি আর েএকটি টাকার প্রোডাক্টসও না কিনে তাহলেও তার এই সদস্যপদ এবং ১৫% মূণ্য ছাড় বহাল থাকবে।



ফরএভার লিভিং প্রোডাক্টস কোম্পানীর প্রতিটি পণ্যের দামের উপর ভিত্তি করে একটি সিসি (Case Credit) মূল্য রয়েছে। যে পণ্যের দাম যত বেশী তার সিসি মূল্য তত বেশী। যে কোন জিনিষের ওজন যেমন পৃথিবীর সব দেশেই এক, আমাদের পণ্যগুলোর সিসি ও পৃথিবীর যে কোন দেশে একই থাকে। এই একক ফরএভার ভ্রবসায়ীদের পদোন্নতি পরিমাপের জন্য ব্যবহার করা হয়।

ডেবিট যে পণ্যটি কিনছেন কোম্পানী সেই ফণ্যের সিসি মান তার একাউন্ট এ যোগ করেছে। যদিও কোম্পানী প্রোমোশনের জন্য পরপর দুইমাসের সর্ব মোট সিসি কে ব্যবহার করে কিন্তু কেউ যদি এই সময়ের আগেই পদোন্নতির জন্যে প্রয়োজনীয় সিসি করে ফেলেন তাহলে সেই মূহুর্ত থেকেই তিনি পদোন্নতি পান। ডেবিট ১মাস ১০ দিনেই প্রথম পদোন্নতি বা প্রমোশন এর জন্য ২সিসি করে ফেলেছেন, সাথে সাথেই কোম্পানীর মার্কেটিং প্ল্যান এ তার পদ হয়ে গেলো এসিস্ট্যান্ট সুপারভাইসর এবং তার মূল্য ছাড় বেড়ে হয়ে গেলো ৩৫% তার মানে এখন ডেবিট ৬৫ টাকা দিয়ে একটি প্রোডাক্ট কিনে ১০০ টাকা বিক্রি করে ৩৫ টাকা লাভ করে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এসিস্ট্যান্ট সুপারভাইসর হয়ে যাওয়ায় এখন সে তার অধীনে পণ্য বিক্রয় করার জন্য ঠিক তার নিজের মতো সদস্য নিয়োগ করার অনুমতি পেলো। এবং মহা উৎসাহে ডেবিট তার দল গঠনের কাজে নেমে পড়লো।

ডেবিট এর বন্ধু জয়। ডেবিট জয়কে এই ব্যবসা সম্পর্কে বললো এবং কি করে সে মাত্র আড়াই হাজার টাকার প্রোডাক্টস কিনে কোন দোকান বা কর্মচারী ছাড়াই নিজে সুবিধা মতো পার্ট-টাইম কাজ করে নিজের ব্যবসা শূরু করেছিল, সে গল্প জয়কে বলে। তার কথা শুনে জয় ভেবে দেখলো যে সেও ঠিক একই ভাবে নিজের জন্য একটা ব্যবসা গড়ে নিতে পারে। সুতরাং সেও ডেবিট এ সাথে গিয়ে এই কোম্পানীর পণ্য কিনে ১৫% মূল্য ছাড় এর সদস্য গয়ে গেলো এবং ডেবিট এর সাথে কাজ শুরু করে দিলো। এতে ডেবিট এর আরো ভালো হলো, কারন আমাদের কোম্পানী যেহেতু আপনার আর আপনার টিম মেম্বার এর মূল্য মধ্যে যে পার্থ্ক্য সে টাকা তা আপনাকে বোনাস হিসেবে প্রদান করে। সে কারনে ডেবিট এর উপার্জন আরো বেড়ে গেলো। জয় যেহেতু ১৫% এর যোগ্য আর ডেবিট ৩৫% এর যোগ্য, জয় যদি ১০০ টাকার প্রোডাক্টস কিনে তাহলে কোম্পানী ডেবিটকে ২০ টাকা বোনাস প্রদান করে। এবার ডেবিট আরো ৪/৫ জনকে বুঝিয়ে সদস্য করে। তার বোনাস আরো বড় হয় এবং এভাবেই চলতে থাকে।

ওদিকে জয় ও খুব উঠেপড়ে ব্যবসা বাড়াতে শুরু করেছে এবং ১মাসের মধ্যেই চয় ও এসিস্ট্যান্ট সুপারভাইসর প্রমোশন পেয়ে যায়। এই অবস্থায় ডেবিট অার জয় যেহেতু একই স্তর এ আছে তাই জয় এর ব্যবসা থেকে কোন বোনাস ডেবিট পায় না। কিন্তু জয় যত সিরি ব্যবসা করেছে সেই ডেবিট এর দলের সিসি হিসাবে যোগ হতে থাকে। পুরো দলের দুমাসের সম্মিলিত সিসি যখন ২৫ সিসি হয়ে যায় যেবিট তখন আবার প্রমোশন পেয়ে সুপারভাইসর পদ লাভ করে। এখন ডেবিট এর মূল্য ছাড় হয়ে যায় ৩৮% এবং সাথে সাথেই সে আবার জং ও তার দলের যে সম্মিলিত সিসি তার মূল্যের উপর ৩% বোনাস পেতে শুরু করে। সাথে তার অন্য সদস্যদের ব্যবসা থেকে বোনাস এবং নিজের খুচরা বিক্রয় তো রয়েছেই। এখন ডেবিট এই ব্যবসার আসল রহস্য নিজে অনুভব করে এবং নিজে আরো লোককে নিজের দলের সদস্য বানিয়ে তাদের জন্য ব্যবসার রাস্তা তৈরী করে দেয় এবং তার দলের অন্য সদস্যদেরকে (যেমন জয়) সাহায্য করে আরো বেশী ব্যবসা করতে। বলতে বলতেই তার দলের সম্মিলিত পরপর দুই মাসের সিসি ৭৫ সিসি হয়ে যায়। ডেবিট আবারো প্রমোশন পেয়ে এসিস্ট্যান্ট ম্যানাজার হয় এবং তার মূল্য ছাড় এর মাত্রা ৪৩% এ গিয়ে দাঁড়ায়। ফলে তার ব্যক্তিগত খুচরা ব্যবসা থেকে রাভ অনেক বেশী হতে শুরু করে এবং তার দলের বিভিন্নজনের সিসির মূল্যের উপর বোনাস পেয়ে মাসে তার রোজগার ৩০ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়।

সে আরো উৎসাহিত হয়ে আরো বেশী কাজ করতে শুরু করে। আরো বেশী লোকদের কে বিক্রয় করা, আরো বেশী লোকদের ব্যবসা নিয়ে বলা আরো বেশী সদস্য তৈরী করা ইত্যাদি। ফলে তার পরের মাসেই তার নিজের এবং দলের সম্মিলিত সিসি হয়ে দাঁড়ায় ১২০ সিসি। ডেবিট প্রমোশন পেয়ে হয় ম্যানেজার এবং তার মূল্য ছাড় এর মাত্রা সর্বোচ্চ ৪৮% এ উঠে যায়। পড়া-শোনা/কাজের পাশে পার্ট টাইম কাজ করে যখন মাসে ডেবিট ৭০/৮০ হাজার উপার্জন করতে শুরু করে তখন তার হঠাৎ মনে হয় স্বপ্নের জীবনের দরজার তালা এবার যেন খুলতে শুরু করেছে।

এই উদাহরণে ডেবিট এর পরিবর্তে আপনার নাম বসিয়ে নিয়ে ঠিক এই বাবে কাজ করলে আপনিও ঠিক এমন করেই স্বপ্নের জীবনের চাবি হাতে পেতে পারেন।

এই কোম্পানীর সাথে কাজ করে ম্যানেজার হয়ে গেলে তখন কোম্পানী নিজ খরচে আপনাকে বিদেশ বেড়াতে নিয়ে যাবে। ফাইভ ষ্টার হোটেলে থাকা, খাওয়া তো বটেই এমন কি হাত খরচের টাকাওকোম্পানী দেবে আপনাকে।

এর পরে আরো নযে প্রমোশন গুলো পাওয়া যায় তাদের সম্পর্কে আজ আর নাইবা শুনলেন। নয়তো রাতে হয়তো ঘুমাতেই পারবেন না। এইটুকু ভালো করে বুঝে নিন বাকিটা আমার সাথে যখন কাজ করবেন তখন বুঝিয়ে দেব।

যদি শুনে জিনিষটা খুব পানির মত সোজা মনে হয়ে থাকে তাহলে আবার বলি কঠিন পরিশ্রম না করে আমাদের ব্যবসায় সামনে আগানো যায় না। যদি লেগে থেকে কাজ করতে আর শিখতে যদি আপত্তি না থাকে তাহলে আপনার মতো মানুষকেই খুঁজছি আমি এবং আমার কোম্পানী ফরএভার লিভিং প্রোডাক্টস মানিকগঞ্জ।

এবারে ভেবে বরুন আমার দলের সদস্য হয়ে ফরএভার লিভিং প্রোডাক্টস কোম্পানীর ছায়ায় পার্ট-টাইম কাজ করে নিজের জন্য একটি উপার্জনের রাস্তা খুলতে চান কিনা?
ভালো থাকবেন ধন্যবাদ।।।

মো: আনোয়ার হোসেন
(অধ্যয়নরত)
Forever Business Owner Malaysia
+6 1137468980
প্রথম পরিচয়

No comments

Powered by Blogger.